Tiffin Recipe | বাচ্চাদের টিফিনের জন্য বানিয়ে নিন এই সহজ, স্বাস্থ্যকর অথচ মুখরোচক রেসিপিটি

Print
clock clock iconcutlery cutlery iconflag flag iconfolder folder iconinstagram instagram iconpinterest pinterest iconfacebook facebook iconprint print iconsquares squares iconheart heart iconheart solid heart solid icon
Tiffin Recipe

Tiffin Recipe | বাচ্চাদের টিফিনের জন্য বানিয়ে নিন এই সহজ, স্বাস্থ্যকর অথচ মুখরোচক রেসিপিটি

  • Author: Atanu Ghosh

Description

এই টিফিনের রেসিপিটা একবার ট্রাই করে দেখতে পারেন। খেতেও মুখরোচক হয়। আর দেখবেন এটা বানানো খুবই সহজ। দেখবেন ঘরো উপকরণ দিয়ে খুবই কম সময়ে এটা আপনারা বানিয়ে নিতে পারছেন। আর এইভাবে বানালে দেখবেন বাচ্চাদের সাথে সাথে বড়রাও কিন্তু দারুণ পছন্দ করবে।


Ingredients

বাচ্চাদের টিফিনের রেসিপি উপকরণ ( Tiffin Recipe Ingredients)

  • ময়দা
  • আটা
  • চিনি গুঁড়ো
  • জল
  • জিরা
  • রসুন
  • আদা
  • পেঁয়াজ
  • কাঁচা লঙ্কা
  • হলুদ গুঁড়ো
  • কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো
  • ধনেগুঁড়ো
  • আলু
  • বিট নুন
  • ডিম
  • কুচানো ধনেপাতা
  • মোজারেলা চিজ
  • সাদা তেল
  • ঘি

Instructions

বাচ্চাদের টিফিনের রেসিপি রান্নার পদ্ধতি ( How to Make Tiffin Recipe Recipe )

তাহলে রেসিপিটা বানানোর জন্য সবার প্রথম আমি এখানে নিয়ে নিছি একটা বোল। যার মধ্যে সবার প্রথমে নিয়ে নিতে হবে নেব তিন কাপ আটা। আর তিন কাপ আটার সাথে আমি এখানে দিয়ে দিচ্ছি এক কাপ ময়দা। তারপর দিয়ে দিন স্বাদমত নুন। তারপর এর মধ্যে দিয়ে দেব এক চা চামচ মত গুঁড়ো চিনি। এতে দেখবেন ভাজার সময় কালারটা দারুণ সুন্দর আসবে। ব্যাস এবার এসব ড্রাই ইনগ্রেডিন্স গুলোকে একবার ভালো করে আমি মিশিয়ে নিচ্ছি। আর ভালো করে একবার মেশানো হয়ে গেলে আমি এর মধ্যে অল্প অল্প করে জল দিয়ে একটা সফট ডো রেডি করে নেব। আবারো বলছি ডোটা কিন্তু আপনাদের একটু সফট করেই মেখে নিতে হবে।

এখানে ট্যাকসের ফিলিংস এর জন্য ডিম আর আলু ব্যবহার করব। আপনারা চাইলে কিন্তু অন্য স্টাফিংও এখানে ব্যবহার করতে পারেন। আর এই মাখার সময় কিন্তু আপনাদের এখানে দিয়ে দিতে হবে সামান্য একটু তেল। খুব বেশি নয়। এক থেকে দেড় চা চামচ মত দিয়ে দিলেই হবে। তারপর এটাকে আবারো ভালো করে মেখে নিন। আপনারা চাইলে এখানে তেলের পরিবর্তে কিন্তু ঘি বাটারেরও এখানে ব্যবহার করতে পারেন। আর ভালো করে একবার মাখা হয়ে গেলে এভাবে রাউন্ড শেপ দিয়ে এটাকে রেস্টিং এ রেখে দিন পাঁচ থেকে 10 মিনিটের জন্য।

আর রেস্টিং এ রাখার আগে এর মধ্যে আপনারা অবশ্যই একটু ভিজে কাপড় চাপা দিয়ে রাখবেন। যাতে এটা ড্রাই না হয়ে যায়। আচ্ছা এবার স্টাফিংটা বানানোর জন্য আমি এখানে একটা ফ্রাইং প্যান নিয়ে গ্যাসটাকে অন করে নিচ্ছি। তারপর তাতে দিয়ে দিচ্ছি সামান্য একটু সাদা তেল। তেলটা একটু গরম হয়ে গেলে আমি এখানে দিয়ে দেব এক চা চামচ গোটা জিরে তারই সাথে কুচনো রসুন এক চা চামচ সাথে যাবে এক চা চামচ কুচনো আদাও তারপর এটাকে ভালো করে একবার মিশিয়ে নিন আর ভালো করে মেশানো হয়ে গেলেই নিয়ে নিন এর মধ্যে পেঁয়াজ কুচি আমি এখানে ফ্লেমটাকে মিডিয়াম টু লো করে এটাকে ভালো করে মেশাতে থাকবো যতক্ষণ না পেঁয়াজটা পারফেক্টলি ভাজা হয়ে যায় স্টাফিংটা বানানোর জন্য কিন্তু আমাদের খুব বেশি তেলের প্রয়োজন পড়বে অল্প একটু তেল নিয়ে নিলেই হবে।

আর পেঁয়াজটা যখনই দেখবেন এরকম হালকা একটু ভাজা হয়ে যাবে তখন এখানে দিয়ে দিন কাঁচা লঙ্কা। যদি বাচ্চাদের জন্য করেন সেক্ষেত্রে আপনার কাঁচালঙ্কা একটু কমই দিয়ে দেবেন। এবার এটাকে আবারো আমি ভালো করে মিশিয়ে নিচ্ছি। আশা করি নিশ্চয়ই দেখতে পাচ্ছেন পেঁয়াজটা কিন্তু এখানে এখন পারফেক্টলি ভাজা হয়ে গেছে। এই স্টেজে এখানে দিয়ে দিন মসলার মধ্যে অল্প একটু হলুদ গুঁড়ো। তারই সাথে খুব সামান্য কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো। ধরে নিন হাফ চা চামচ মত।

এরপর দিয়ে দেব এক চা চামচ ধনে গুঁড়ো। তারপর এটাকে ভালো করে একবার মিশিয়ে নিন। এই সময় কিন্তু ফ্লেমটা আপনারা একদম লো রাখবেন। আর এটা একবার ভালো করে মেশানো হয়ে গেলেই আমি এখানে দিয়ে দেব বয়েল করে রাখা আলু। এটাকে আমি আগে থেকেই ভালো করে গ্রেট করে রেখেছি। আমি এখানে টোটাল তিনটে আলুকে গ্রেট করে ব্যবহার করলাম। আর আলুটা দেওয়ার পরে এটাকে আপনাদের ভালো করে এইভাবে মিক্স করে নিতে হবে। আর এই মেশানোর সময় আপনাদের এখানে দিয়ে দিতে হবে অল্প একটু বিট নুন আর তারই সাথে রেগুলার নুনও পেসতারপর এটাকে আবারো ভালো করে মেশাতে থাকুন আর ভালো করে একবার মেশানো হয়ে গেলেই আমি এখানে দিয়ে দেব দুটো ডিমকে ভালো করে গ্রেট করে।

আর ডিমটাকে গ্রেট করার জন্য আমি এখানে গ্রেটারের এই বড় ছিদ্রটা ব্যবহার করব। আবারো বলছি আপনারা যদি ডিম ব্যবহার করতে না চান তাহলে নাই করতে পারেন। বা যদি আপনারা এখানে চিকেন ব্যবহার করতে চান বা অন্য কোন কিছু ভেজিটেবল ব্যবহার করতে চান সেটাও এখানে ব্যবহার করতে পারেন। আর ডিমটা দেবার পরে এটাকে ভালো করে আমি মিশিয়ে নিচ্ছি। আর ভালো করে একবার মেশানো হয়ে গেলেই আমি ফাইনালি এটাকে ফিনিশ করব অল্প একটু ধনেপাতা দিয়ে। আর ধনেপাতাটা দেওয়ার পরে আমি ফ্লেমটাকে বন্ধ করে দেব। আর তারপর ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে এটাকে ঠান্ডা করে নেব।

তাহলে নিশ্চয়ই দেখতে পেলেন এর স্টাফিংটা বানানো কতটা সিম্পল। তাহলে নিশ্চয়ই দেখতে পেলেন স্টাফিংটা আমার এখানে রেডি হয়ে গেল। আর যে ডোটা রেডি করে রেখেছিলাম তার মধ্যে থেকে কিন্তু আমি একে একে লেচি গুলো কেটে নিয়েছি। দেখুন লেচি গুলো কিন্তু আমি খুব বেশি বড় সাইজের করিনি। আশা করি নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন। আচ্ছা এবার এটাকে আমি অল্প একটু ময়দা দিয়ে ভালো করে বেলে নেব। আর বেলার সময় এটাকে কিন্তু আপনাদের এরকম পাতলা করেই বেলে নিতে হবে। এর থিকনেসটাও দেখে নিন। আমি এখানে এটাকে কতটা পাতলা রেখেছি।

আর তারপর এটা বেলা হয়ে গেলেই এটাকে আপনাদের অল্প একটু কাঁটা চামচ দিয়ে এভাবে ফুটো করে নিতে হবে। যাতে এটা শেখার সময় ফুলে না যায়। ব্যাস এটাকে তুলে নিয়ে আমি ডাইরেক্টলি শেকে নিচ্ছি। এটা শেকতে কিন্তু আপনাদের খুব বেশিক্ষণ সময় লাগবে না। এক একটা দিক শেকতে ধরে নিন মোটামুটি আপনাদের সময় লেগে যাবে 30 থেকে 40 সেকেন্ড মতো। যখনই দেখবেন একটা দিকে এরকম হালকা কালার চলে এসছে তখন এটাকে এইভাবে পাল্টে নিন। তারপর কুক করে নিন দুদিকটি ভালো করে লাল লাল করে। আপনারা

যদি এটাকে এরকম পাতলা না করেন তাহলে কিন্তু মোড়ার সময় এটা ভেঙে যাওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকবে। আশা করি নিশ্চয়ই দেখতে পাচ্ছেন এ দুদিকটা কিন্তু বেশ ভালোভাবে শেকা হয়ে গেছে। ব্যাস এবার এটাকে আমি তুলে নিচ্ছি। আর রেখে দিচ্ছি একটা প্লেটের মধ্যে ঠান্ডা হবার জন্য। এবার একইভাবে আমি বাকিগুলো বানিয়ে নিচ্ছি। আর বেলে নেওয়ার পরে এইভাবে আপনারা ফুটো করে ডাইরেক্টলি দিয়ে দিন প্যানের মধ্যে। এটা শেকার সময় ফ্লেমটা আপনারা কিন্তু একদম লোই রাখবেন। আর একদিকটা শেকা হয়ে গেলে পাল্টে নিয়ে অপর দিকটাই একইভাবে শেকে নিন। এই রুটিগুলো আপনারা চাইলে কিন্তু একদিন আগেও বানিয়ে রাখতে পারেন।

যেহেতু এটা হাফ ডান থাকবে তাই এটাকে খারাপ হয়ে যাওয়ার কিন্তু কোন সম্ভাবনা থাকবে না। বাট আমি আপনাদের রিকমেন্ড করবো এটা ফ্রেশ বানিয়ে নেওয়ার। আচ্ছা এখানে বলে রাখি আপনারা যারা অধন রান্না করে ইউটেনসিল গুলোকে নিতে চাইছেন লিংক আমি ডেসক্রিপশন বক্সে দিয়ে রেখেছি।অজন থেকে সেটা আপনারা ইজিলি কিনে নিতে পারবেন। তাহলে সবকটা লেচি আমার এখানে কিন্তু দেখুন বেলে নিয়ে রেডি করা হয়ে গেল। এবার এগুলোকে আপনাদের একটু ঠান্ডা করে নিতে হবে। তাহলেই দেখবেন এটা পারফেক্টলি মুড়ে যাচ্ছে।

এবার আমি একে একে আপনাদের ট্যাকস গুলো বানিয়ে দেখাবো। তার জন্য রুটিটাকে নিয়ে আমি এর মধ্যে স্টাফিংটাকে ভরে নেব। স্টাফিংটাকে আপনাদের ঠিক এরকম সাইড বরাবর রাখতে হবে। যাতে এটা আপনারা পারফেক্টলি মুড়তে পারেন। আমি এটা স্প্যাচুলা দিয়ে করছি। আপনারা চাইলে হাত দিয়ে এটাকে কিন্তু ইজিলি করে নিতে পারেন। আর স্টাফিংটাকে এইভাবে দেওয়ার পরে আমি এর মধ্যে দিয়ে দেব অল্প একটু মোজারেলা চিজ। তারপর এর উপরে একটুখানি স্টাফিং এইভাবে দিয়ে দেব। যাতে রুটির এই পার্টটা আপনারা ভালো করে এইভাবে সিল করতে পারেন। সিল করার পরে এভাবে একটু স্টাফিংটাকে প্রেস করে দেবেন।

প্রপারলি এটা সিল হয়ে যায়। দেখুন এবার এই একই পদ্ধতিতে আমি পাখিগুলো রেডি করে নেব। আশা করি দেখে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন। এটা করা কিন্তু খুবই সিম্পল। এবার ফ্রাইং প্যানটা আবার গরম করে নিয়ে আমি এখানে দিয়ে দেব অল্প একটু তেল। তারপর একে একে আমি এখানে ট্যাকস গুলোকে বসিয়ে দেব। এবার ট্যাগস গুলোর উপরে আমি অল্প একটু করে ঘি এপ্লাই করে দিচ্ছি। আপনারা চাইলে দুদিকে কিন্তু ঘি দিয়ে কুক করে নিতে পারেন।

এবার এক ডিকটা কুক হয়ে গেলেই আমি এটাকে পাল্টে নিচ্ছি। দেখতেই পাচ্ছেন কতটা সুন্দর কালার চলে এসছে। তাহলে নিশ্চয়ই দেখতে পেলেন এটা বানানো কতটা সিম্পল। দেখুন দুদিকটা কিন্তু এখন পারফেক্টলি কালার চলে এসছে। আর চিজটা পারফেক্টলি মেল্ট হয়ে গেছে। এবার এটাকে আমি তুলে নিতে হবে।

Share your love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recipe rating

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!